যেসব অভ্যাস দুরে রাখে সর্দি-কাশি
সর্দি বা কাশি হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না। বুকে কফ জমে থাকা কিংবা খুসখুসে কাশির সময় অস্বস্তিটুকু সত্যিই ভোগায়। একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি সচরাচর বছরে দুই থেকে তিনবার সর্দি কাশির স্বীকার হয়। বাচ্চারা সচরাচর নয় থেকে বারো বার সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হয়।
বাচ্চারা সচরাচর নয় থেকে বারো বার সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হয়
সচরাচর বিভিন্ন ভাইরাসের আক্রমণে এমন হয়। রাইনোভাইরাসের কারণে সর্দি বেশি হয়। অবশ্য সর্দি লাগার ক্ষেত্রে দুইশ ধরনের বিভিন্ন ভাইরাস খুঁজে পাওয়া গেছে। ভাইরাস বাদেও মানুষের নিঃশ্বাস থেকেও ছড়াতে পারে। তাছাড়া দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজেও বা বিভিন্ন স্থান থেকেও ভাইরাস ছড়ায়।
অর্থাৎ কিছুটা সতর্ক থাকলে সর্দি কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যেমন:
হাত ধুয়ে ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলুন
সময় করে করে হাত পরিষ্কার করুন। অন্তত করোনার পর থেকে আমরা সবাই হাত ধোয়ায় মনোযোগ দিয়েছি। ব্যস্ত থাকলে কোনো দীর্ঘ কাজ শেষে একবার হাত ধুয়ে ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
ঘন ঘন মুখে হাত দেয়ার অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন। বিশেষত গরমের সময় টিস্যু রাখুন সাথে। মুখ টিস্যু দিয়ে পরিষ্কার করুন।
সিগারেট বা ধূমপানের অভ্যাস থাকলে পরিত্যাগ করুন। সিগারেটের বিভিন্ন উপাদান ফুসফুসের ক্ষতি করে যা ঠাণ্ডা সর্দি বাড়তে প্রভাব রাখে।
সিগারেটের বিভিন্ন উপাদান ফুসফুসের ক্ষতি করে যা ঠাণ্ডা সর্দি বাড়তে প্রভাব রাখে
ঘরের কেউ সর্দি ঠাণ্ডায় আক্রান্ত হলে ডিসপোজেবল সামগ্রীতে খাবার বা পানীয় খাওয়ার অভ্যাস করুন।
ঘরের আসবাবপত্র, বেসিন, টেবিল এমনকি বাচ্চাদের খেলনা পরিষ্কার রাখুন। কোথাও ধুলো জমতে দিবেন না।
টিস্যু দিয়ে টেবিল কিংবা বিভিন্ন তল মুছে নিন ব্যবহারের আগে। ব্যবহার শেষে টিস্যু ফেলে দিন।
স্ট্রেস কমানোর চেষ্টা করুন। স্ট্রেস সর্দি কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়।
সূত্র: অনহেলথ


0 Comments